সমাহার সফট -এর আইটি উদ্যোক্তা / ডিজিটাল উদ্যোক্তা / পার্টনার হতে বিস্তারিত জেনে নিন

 

আইটি উদ্যোক্তা / ডিজিটাল উদ্যোক্তা / পার্টনারের বিস্তারিত পড়ে, বুঝে সহযোগী হবেন আশা রাখি। 

আইটি উদ্যোক্তা / ডিজিটাল উদ্যোক্তা 


‘প্রোডাক্ট ও অর্থ আমাদের, পরিশ্রম আপনার’
কোন প্রকার  জামানত ছাড়াই আইটি উদ্যোক্তা/ডিজিটাল উদ্যোক্তা/এরিয়া পার্টনার হন এবং আমাদের একটি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস একবার বিক্রয় করে আয়  করুন প্রতিমাসে-লাইফ টাইম।
একজন আইটি উদ্যোক্তা/ ডিজিটাল উদ্যোক্তা/এরিয়া পার্টনার বিনা ইনভেষ্টে যে সব ব্যবসা করার সুযোগ পাচ্ছেনঃ
✪ ডোমেইন, হোস্টিং বিজনে।। 
✪ ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভলপমেন্ট বিজনেস।
✪ সফটওয়্যার বিজনেস।
✪ অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট বিজনেস। 
✪ ওয়েব ম্যানেজমেন্ট বিজনেস। 
✪ ডিজিটাল মার্কেটিং বিজনেস।
✪ বাল্ক এসএমএস বিজনেস। 
এসব বিজনেস স্বাধীন ভাবে পরিচালনার মাধ্যমে আইটি উদ্যোক্তা / ডিজিটাল উদ্যোক্তা / এরিয়া পার্টনারকে লাইফ টাইম ইনকামের সুযোগ দিচ্ছে ‘samaharsoft' 
▓▓ সুবিধা সমূহঃ ▓▓ 
✪ কোন প্রকার জামানতের প্রয়োজন নেই।
✪ আমাদের একটি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস একবার বিক্রয় করিলে কমিশন পাবেন প্রতিমাসে- লাইফ টাইম।
✪ এটি একটি স্বাধীন ব্যবসা, নিজের বর্তমান পেশার পাশাপাশি এই ব্যবসা করে মাসিক ৪০,০০০/- টাকা থেকে ১,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।
✪ আমাদের রয়েছে বিভিন্ন প্রকল্প যা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাবেন লাইফ টাইম ইনকামের সুযোগ।
✪ নিজের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ার মাধ্যমে নিজ এলাকার অন্যান্য বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবেন।
✪ শিক্ষিত বেকার যুবকেরা কোন প্রকার ইনভেষ্ট ছাড়াই এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।
✪ আমাদের সাথে কাজ করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব প্রশিক্ষন পাবেন ফ্রি।
▓ শর্ত সমূহঃ ▓
✪ অবশ্যই সৎ ও পরিশ্রমী হতে হবে।
▓ কিছু প্রশ্ন উত্তরঃ ▓
১। প্রশ্নঃ আপনাদের ডোমেইন, হোস্টিং বিজনেস করলে কিভাবে লাইফ টাইম ইনকাম করা যাবে?
উত্তরঃ যারা নতুন তারা হয়তো বা জানেন না ডোমেইন, হোস্টিং প্রতিবছর রেনু করতে হয়। একটা উদাহরণ দিলে বুঝতে সহজ হবেঃ ধরুন, .com ডোমেইন আপনার মাধ্যমে কেউ রেজিষ্ট্রেশন করল  সে প্রতিবছর রেনু করেঃ 
১। রেনুয়াল থেকে আপনি পাবেন ৫০ টাকা। যদি বছরে ১০০ ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন করিয়ে থাকেন তবে ১০০x৫০ = ৫০০০/- টাকা।
২। যে ডোমেইন নিবে সাথে সে হোস্টিংও নিবে। ১ জিবি হোস্টিং এর হিসেব দেইঃ ১০০x২৫০ = ২৫,০০০/- টাকা।
৩। এসএসএল ও নিতে হয়।  ১০০x২০০ টাকা = ২০,০০০/- টাকা।
৪। ওয়েবসাইট ও তৈরি করতে হবে। যদি গড়ে প্রতে ওয়েবসাইটে আপনার প্রফিট ৫০০০/- টাকা হয়। তবে ১০০x ৫০০০/- টাকা= ৫০০,০০০/- টাকা ( এককালীন)। 
৫। বিবিধ সেবা। গড়ে ৫০,০০০/- টাকা
তাহলে ১ম বছর আপনার আয় হয় ৬ লক্ষ টাকা। মানে প্রতিমাসে ৫০ হাজার। 
২। প্রশ্নঃ সফটওয়্যার  বিক্রয় করে কিভাবে লাইফ ইনকাম করা যাবে?
উত্তরঃ একটি সফটওয়্যার ক্রয়ের পর গ্রাহককে লাইফটাইম সেই সফটওয়্যারের সার্ভার চার্জ  দিতে হয়। এই সার্ভার চার্জ থেকে আপনারাও প্রতিমাসে একটা কমিশন পাবেন। অর্থাৎ একটি সফটওয়্যার শুধু একবার বিক্রয় করে কমিশন পাবেন প্রতিমাসে- লাইফ টাইম।
৩। প্রশ্নঃ  কিভাবে বিনা ইনভেষ্টে অন্যান্য ব্যবসা থেকে আয় করা যাবে?
উত্তরঃ আমাদের কোন সেবার রিসেলার প্যানেল নিয়ে আপনাকে এডভান্স পেমেন্টের প্রয়োজন নেই। আপনার কাজ হলো আপনার এলাকা থেকে আমাদের  বিভিন্ন সেবা যেমনঃ সফটওয়্যার, ওয়েবসাইট, ডোমেইন, হোস্টিং,  অ্যাপ অর্ডার নেয়া। আপনার অর্ডার অনুসারে সেবা প্রধান করে,  পেমেন্ট সংগ্রহ করার পর আপনার কমিশন আপনাকে প্রদান করা হবে। 

নিয়োগ ও কাজ শুরুর প্রক্রিয়াঃ
  • সর্ব প্রথম  ই-মেইলঃ dmst@lukiye.com, mohibur@lukiye.com  ই-মেইল  করতে হবে।
  • কাজের প্রস্তুতি হিসাবে আপনাকে নিজ খরচে একটি আইডি কার্ড, লিফলেট ও ভিজিটিং কার্ড তৈরি করে নিতে হবে। কেননা কোন প্রতিষ্ঠান ও ব্যাক্তির সাথে আপনার পণ্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রথমেই এসব  জিনিসের  প্রয়োজন হবে। 
  • লিফলেট, ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড এর ডিজাইনের জন্য (১) আপনার এক কপি ছবি, (২) পূনাঙ্গ নাম, (৩) যে ইমেইল ভিজিটিং কার্ডে ব্যবহার করতে চান, (৪) যে ফোন নাম্বার ভিজিটিং কার্ডে ব্যবহার করতে চান এবং (৫) লোকাল পয়েন্টের ঠিকানা- এসব তথ্য dmst@lukiye.com, nirapodms@lukiye.com  এই ই-মেইলে পাঠিয়ে দিয়ে আমাদের অফিসে ফোন দিয়ে নিশ্চিত করুন।
  • এই উপকরন সমূহ তৈরি করে নিয়ে আপনি ২য় ধাপের কাজ শুরু করতে পারেন।
  • প্রতিদিন আপনাকে বিভিন্ন ধরনের গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ করতে  হবে ও পণ্যে অর্ডার সংগ্রহ করে হেড অফিসে পাঠাতে হবে।
  • প্রতিদিনের কাজ প্রতিবেদন প্রতিদিনে হেড অফিসে পাঠাতে হবে।

আবেদন করতে ই-মেইলঃ dmst@lukiye.com, mohibur@lukiye.com  ই-মেইল  করুন

আইটি উদ্যোক্তা/ ডিজিটাল উদ্যোক্তা / পার্টনারদের দায়িত্ব ও আয়

বিভাগী পার্টনারদের দায়িত্ব ও শর্তঃ 
  • বিভাগীয় শহরে  একটি অফিস বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে।
  • প্রতিটি জেলা ও থানায় একজন করে জেলা ও থানা পার্টনার নিয়োগ দিয়ে তাদের পরিচালনা করতে হবে।
  • কর্তৃপক্ষ কে কোন জামানত দিতে হবে না। তবে নিজের ব্যয় নিজেকেই বহন করতে হবে। (যেমনঃ ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড, লিফলেট ইত্যাদি  নিজ খরচে তৈরি করে নিতে হব।

জেলা পার্টনারদের দায়িত্ব ও শর্তঃ 
  • নিজ জেলা শহরে  একটি অফিস বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে।
  • নিজ জেলার প্রতিটি থানায় একজন করে থানা পার্টনার নিয়োগ দিয়ে তাদের পরিচালনা করতে হবে। 
  • কর্তৃপক্ষ কে কোন  জামানত দিতে হবে না। তবে নিজের ব্যয় নিজেকেই বহন করতে হবে। (যেমনঃ ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড, লিফলেট ইত্যাদি  নিজ খরচে তৈরি করে নিতে হবে)
  • থানা পার্টনারদের কাছ থেকে প্রতিদিন রিপোর্ট গ্রহণ করে হেড অফিসে প্রেরণ করতে হবে।
থানা পার্টনারদের দায়িত্ব ও শর্তঃ 
  • সফটওয়্যার, ওয়েবসাইটের কাজ নিতে   নিজ থানার প্রতিটি স্কুল কলেজ,  অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ভিজিট করতে হবে। 
  • কর্তৃপক্ষ কে কোন  জামানত দিতে হবে না তবে নিজের ব্যয় নিজেকেই বহন করতে হবে। যেমনঃ ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড, লিফলেট ইত্যাদি।
  • প্রতিদিনে কাজের রিপোর্ট প্রদিনেই হেড অফিসে পাঠাতে হবে।
পার্টনারদের আয়ঃ
বিভিন্ন প্রকল্প, পণ্য ও সর্ভিস থেকে পার্টনারগণ ৫% থেকে ৫৫% পর্যন্ত কমিশন পাবেন। নিচের ডিজিটাল পাঠশালা প্রকল্প থেকে কি রকম আয় হতে পারে তার একটি ধারনা দেওয়া হলো।
প্রতিটি ডিজিটাল পাঠশালা প্রকল্প বাস্তাবায়নের ফলে উক্ত প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত সার্ভিস চার্জ এর ১২% পার্টনারশীপ পাবেন থানা পাটর্নারগণ  এবং জেলা পার্টনারগণ নিজ সদর থানার ১৫% পার্টনারশীপ এবং অন্যান্য থানা সমূহের ৩% পাটর্নারশীপ পাবেন অর্থাৎ একজন জেলা পাটর্নার এর ৫ জন থানা পাটর্নার   থাকলে তার পাটর্নাশীপ হবে ৫x৩=১৫% এবং নিজ থানার কাজ করার জন্য ১৫% । মোট ৩০%।
 আমাদের প্রোডাক্ট তালিকাঃ ▓
(ক) ডোমেইন এর আইটি উদ্যোক্তা / ডিজিটাল উদ্যোক্তা/ পার্টনার প্রাইসঃ
 ডোমেইন নেম = এজেন্ট প্রাইস= কাস্টমার প্রাইস। মেয়াদ ১ বছর।
.com = 49 TK. = 900 TK.
.NET = 49 TK = 950 TK.
.ORG = 49 TK. = 950 TK.
.TV = 49 TK. = 3900 TK.
.ACTOR = 49 TK = 4033 TK.
.ACADEMY = 49 TK = 3360 TK.
.COLLEGE = 49 TK. = 7300 TK.
.INSTITUTE = 49 TK. = 2450 TK.
.UNIVERSITY = 49 TK. = 5500 TK.
(খ) হোস্টিং প্রাইস
হোস্টিং = এজেন্ট প্রাইস = কাস্টমার প্রাইস। ১ বছর মেয়াদ।
১ জিবি এসএসডি হোস্টিং = ৯৫ টাকা = ১১৫০ টাকা।
(গ) ওয়েব সাইট ডিজাইন এন্ড ডেভলপমেন্টস্ঃ
১। ই-কর্মাস ওয়েব সাইট।
২। ডায়নামিক ওয়েব সাইট।
৩। নিউজ পেপার ওয়েব সাইট।
৪। ক্লাসিফাইড ওয়েব সাইট।
৫। স্কুল-কলেজের ওয়েব সাইট।
৬। রিয়েল স্টেট ওয়েব সাইট।
৭। সোশাল মিডিয়া ওয়েব সাইট।
৮। চাকুরীর বিজ্ঞাপনের ওয়েব সাইট সহ আরও অসংখ্য ওয়েব সাইট রয়েছে আমাদের।
✪ এছাড়াও আমরা কাষ্টমারের চাহিদা অনুসারে সবধরনের ওয়েব সাইটের ডিজাইন এন্ড ডেভলপমেন্টস এর কাজ করে থাকি।
(ঘ) সফটওয়্যারঃ
১। স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার। 
২। POS সফটওয়্যার।
৩। ERP সফটওয়্যার।
৪। HRM সফটওয়্যার।
৫। মেডিকেল এন্ড ক্লিনিক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৬। ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৭। প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যার।
৮। রিয়েল স্টেট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৯। বিউটি পার্লার সফটওয়্যার।
১০। হোটেল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১১। অটো রাইস মিল ম্যানজমেন্ট সফটওয়্যার।
১২। কোল্ড স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৩। ইট ভাটা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৪। সুপার শপ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৫। কর্পোরেট বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৬। ট্যুরস এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি সফটওয়্যার।
১৭। এক্সপোর্ট এন্ড ইমপোর্ট বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৮। ক্যাবল নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৯। যে কোন দোকান/শো-রুম ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ইত্যাদি সহ আরও অসংখ্য সফটওয়্যার রয়েছে আমাদের।
✪ এছাড়াও কাষ্টমারদের চাহিদা অনুসারে আমরা যে কোন ধরনের সফটওয়্যার তৈরি করে দিয়ে থাকি।
(ঘ)  ই-কমার্স বিজনেসঃ
 আমরা একটি ই-কর্মাস ওয়েব সাইট চালু করছি । যে ওয়েব সাইটে নিত্য প্রয়োজনীয় সধরনের প্রোডাক্ট থাকবে। এই প্রোডাক্ট সমূহ অনলাইনের মাধ্যমে দেশের যেকোন যায়গা থেকে যে কেউ ক্রয় করতে পারবে এবং সেই ক্রয়কৃত পন্য সমূহ এজেন্ট পয়েন্ট বা এরিয়া পার্টনার পয়েন্ট থেকে ডেলিভারী দেওয়া এবং এজেন্ট/ পার্টনারগন এসব প্রোডাক্ট থেকেও একটা ভালো কমিশন পাবেন।
অফিসঃ সিকদার প্লাজা, লতাপাতা বাজার, কাপাসিয়া, গাজীপুর-১৭৩০                   
  মোবাইলঃ 01611145788 , ই-মেইলঃ amarbusiness24@lukiye.com, nirapodms@lukiye.com  ওয়েবসাইটঃ amarbusiness24.com 

আপনার ইনকাম এর জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করুন

আপনার ইনকাম এর জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করুন

আপনি কি আপনার ইনকাম এর জন্য ওয়েবসাইট তৈরির কথা ভাবছেন ?
তাহলে আমরা আছি আপনার পাশে। স্বল্পমূল্যে এবং স্বল্পসময়ে আমরা আপনাকে তৈরি করে দিব একটা ওয়েবসাইট যা আপনার প্রতিষ্ঠানকে করবে আরও সমুন্নত।
আপনার গ্রাহকগণ ঘরে বসেই জানতে পারবে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সেবা সম্পর্কে।
হোস্টিং, ডোমেইন ও ১ বছরের ফ্রি সার্ভিস সহ তৈরী করুন আপনার পছন্দের ওয়েবসাইট।
আমাদের ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট…
📜 নিউজ পেপার 🛒 ই-কমার্স 📜 অনলাইন টেলিভিশন ⚖️ ল- ফার্ম  🌏কনসালটেন্সি ফার্ম 📖 ব্লগ 
🛫 ট্রাভেল এজেন্সি এবং এয়ার বুকিং  💟 ব্যক্তিগত  🏛️ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়  🏥 হাসপাতাল
🚗 রেন্ট এ কার  🏦 ব্যাংক, বীমা ও কো-অপারেটিভ  🏭 পোশাক ও ভারী শিল্প কলকারখানা 
🕌 অলাভজনক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
ইত্যাদিসহ সকল প্রকার ওয়েবসাইট আমাদের অভিজ্ঞ ডেভেলপার এর মাধ্যমে স্বল্প খরচে করার সুবিধা।
✳পেমেন্ট সাপোর্ট: Bkash, Rocket, DBBL Nexus, Visa Card, Master Card
✳কেনো নিবেন আমাদের থেকে: 24/7 কাস্টমার সেবা,নিশ্চিন্তে নিতে পারেন সার্ভিস। তাই দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
অর্ডার কনফার্ম করতে অথবা বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন ☎️ 01711113852


Complete Hosting Solution

Affordable but premium quality USA server with 99.99% uptime

Regular Hosting
We have every hosting solution to keep your business online. From personal to corporate we offer perfect plan.

Virtual Private Server
If you are looking to a personal server with dedicated resources for high traffic website, managed VPS is the right solution.

Hosting Reseller
If you are planning for lot of website or want to sell web host, we have ready to choose custom packages for you

ডোমেইন হোস্টিং কি??


.com,.net,.org,.com.bd যে কোন ১ টি ডোমেইন মাত্র ৪৯/- টাকায়।

উদ্যোক্তা হওয়ার উদ্যোগের শুরু হোক আজ-ই। সেবা সমূহঃ ১। ডোমেইন, হোস্টিং, ওয়েবসাইট, সফটওয়্যার, অ্যাপ, ডিজিটাল মার্কেটিং, বিবিধ।

ডোমেইন = এজেন্ট প্রাইস = কাস্টমার প্রাইস! মেয়াদ ১ বছর।
.com.bd = 49 tk = 12,50 tk.
.net.bd = 49 tk = 1250 tk.
.org.bd = 49 tk = 1250 tk.
.edu.bd = 49 tk = 1250 tk.
.com/.net/.org = 49 tk = 950 tk.

#DMST এজেন্ট হয়ে বিশ্বের যেকোন দেশে থেকে বিজনেস শুরু করুন আজ-ই।
#প্রয়োজনেঃ
E-mail: dmst@lukiye.com,  nirapodms@lukiye.com
Messenger: m.me/amarbusiness24
Website : www.amarbusiness24.com
#Agent_Care : +8801711113852, #Customer_Care : +8809602333194



লিডার কে? একজন লিডারের বৈশিষ্ট্য কি রকম হওয়া উচিত?

লিডার কে? একজন লিডারের বৈশিষ্ট্য কি রকম হওয়া উচিত?

কর্মক্ষেত্রে বা যেকোন ক্ষেত্রে ভাল লিডার হতে হলে বিভিন্ন গুণ আপনার থাকা প্রয়োজন। আপনার ভেতরে যদি বিভিন্ন ধরনের গুণ থেকে থাকে তাহলে আপনি অন্যদের তুলনায় আলাদা হবেন। আপনার কাজে আপনার ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠবে। মাঝে মাঝে নিজেকে পরীক্ষা করুন- আপনি কেমন লিডার।

Definition of Leader (লিডার এর সংজ্ঞা)

Leader শব্দটি ইংরেজী। এর আভিধানিক অর্থ নেতা, দলপতি, জননেতা, নায়ক, সর্দার, অধিনায়ক, চালক, জননায়ক, অগ্রনেতা, অগ্রগামী, অগ্রদূত, মুরুবি, পতি, পথপ্রদর্শক, গোষ্ঠীপতি, মোড়ল, মকদ্দমার প্রধান উকিল ইত্যাদি। তবে এখানে Leader শব্দটি নেতা অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে।

পারিভাষিক অর্থে, একজন লিডার সেই ব্যক্তি যিনি প্রথমে নিজে শিখেন, তারপর কাজটা নিজে করেন এবং পরবর্তীতে অন্যদের দেখান কিভাবে কাজটা করতে হয়!

লিডার এর সংজ্ঞায় Oxford Dictionary of English এ বলা হয়েছে - The person who leads or commands a group, organization, or country. অর্থাৎ এমন এক ব্যক্তি যে নেতৃত্ব ও আদেশ দেয় একটি গ্রুপ, সংগঠন বা দেশকে।

এছাড়া ইংরেজিতে সহজ ভাষায় বলা হয় – “A leader is one who knows the way, goes the way, and shows the way.” অর্থাৎ “একজন নেতা যিনি পথ জানেন, সেই পথে চলেন এবং সেই পথ অন্যকে দেখান।”

Role of a Leader (লিডারের রোল যে রকম হওয়া উচিত)

একজন টিম লিডারের কাজ হচ্ছে, তার টিম মেম্বারদের কাছ থেকে বেষ্ট আউটপুট বের করে আনা। সে জন্য তাদেরকে কিছু ইন্সপাইরেশন/মোটিভেশন ও কার্যকরী দিকনির্দেশনা দিতে হয়, যেন তারা কনফিডেন্স পায় এবং সঠিকভাবে কাজটি সম্পাদন করতে পারে। আপনি যদি বলেন, কি করছ, ফালতু কাজ, তুমি প্রোগ্রামিং এর কিছুই বোঝনা, তুমি তো কিছুই বোঝনি, তুমি তো ব্যাংকিং এর কিছুই বোঝ না, ধূর তোমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। এতে মেম্বারদের কনফিডেন্স নষ্ট হয়। নিজেকে সে মেলে ধরতে পারে না। তার ক্রিয়েটিভিটি দেখানোর কোন সুযোগ ও সাহস কোনটাই সে পায় না! সে মনে মনে ভাবতে থাকে এবং বিশ্বাস করে বসে সত্যিই হয়তবা তাকে দিয়ে এ কাজ হবে না।
একথাগুলো না বলে আপনি যদি পিঠে আলতো করে হাত বুলিয়ে দিয়ে বলেন… গুড, আরে ভালো হয়েছে তো! এই জায়গা গুলো ইম্প্রুভ করলে আরো ভালো হবে। সাবাশ, এগিয়ে যাও। তুমিই পারবে এই প্রব্লেমটা সলভ করতে।
দেখবেন, ওই মেম্বারটি অনেক কনফিডেন্স পাবে। দ্বিগুন উৎসাহে কাজ করবে। মনে রাখবেন একজন লিডার কিংবা ম্যানেজার হিসেবে আপনার উচিত টিম মেম্বারদের কনফিডেন্স বাড়িয়ে তোলা, হতাশ করে দেওয়া নয়!

John Q Adams নামক একজন নামি দামি ও গুণী ব্যক্তি (যিনি আমেরিকার ষষ্ঠ প্রেসিডেন্ট) সহজভাবে বলেছেন – “If your actions inspire others to dream more, learn more, do more and become more, you are a leader.” অর্থাৎ “যদি আপনার কাজ অন্যদেরকে আরো স্বপ্নে অনুপ্রাণিত করে, আরো শিখুন, আরো কিছু করুন এবং আরো বেশি কিছু হয়ে উঠুন, আপনি একজন লিডার বা নেতা।”

পরিশেষে বলা যায় যে, Are you a leader or want to be a leader! অর্থাৎ আপনি একজন নেতা নাকি একজন নেতা হতে চান! এক্ষেত্রে যদি উত্তর হা হয়, তাহলে কিপ মুভিং ফরওয়ার্ড! আর যদি উত্তর না হয়, তাহলে কিপ ট্রায়িং টু বি ওয়ান!

আইটি উদ্যোক্তা / ডিজিটাল উদ্যোক্তা / পার্টনার

আইটি উদ্যোক্তা / ডিজিটাল উদ্যোক্তা / পার্টনারের বিস্তারিত পড়ে, বুঝে সহযোগী হবেন আশা রাখি। 

আইটি উদ্যোক্তা / ডিজিটাল উদ্যোক্তা 


‘প্রোডাক্ট ও অর্থ আমাদের, পরিশ্রম আপনার’
কোন প্রকার  জামানত ছাড়াই আইটি উদ্যোক্তা/ডিজিটাল উদ্যোক্তা/এরিয়া পার্টনার হন এবং আমাদের একটি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস একবার বিক্রয় করে আয়  করুন প্রতিমাসে-লাইফ টাইম।
একজন আইটি উদ্যোক্তা/ ডিজিটাল উদ্যোক্তা/এরিয়া পার্টনার বিনা ইনভেষ্টে যে সব ব্যবসা করার সুযোগ পাচ্ছেনঃ
✪ ডোমেইন, হোস্টিং বিজনে।। 
✪ ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভলপমেন্ট বিজনেস।
✪ সফটওয়্যার বিজনেস।
✪ অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট বিজনেস। 
✪ ওয়েব ম্যানেজমেন্ট বিজনেস। 
✪ ডিজিটাল মার্কেটিং বিজনেস।
✪ বাল্ক এসএমএস বিজনেস। 
এসব বিজনেস স্বাধীন ভাবে পরিচালনার মাধ্যমে আইটি উদ্যোক্তা / ডিজিটাল উদ্যোক্তা / এরিয়া পার্টনারকে লাইফ টাইম ইনকামের সুযোগ দিচ্ছে ‘amarbusiness24’
▓▓ সুবিধা সমূহঃ ▓▓ 
✪ কোন প্রকার জামানতের প্রয়োজন নেই।
✪ আমাদের একটি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস একবার বিক্রয় করিলে কমিশন পাবেন প্রতিমাসে- লাইফ টাইম।
✪ এটি একটি স্বাধীন ব্যবসা, নিজের বর্তমান পেশার পাশাপাশি এই ব্যবসা করে মাসিক ৪০,০০০/- টাকা থেকে ১,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।
✪ আমাদের রয়েছে বিভিন্ন প্রকল্প যা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাবেন লাইফ টাইম ইনকামের সুযোগ।
✪ নিজের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ার মাধ্যমে নিজ এলাকার অন্যান্য বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবেন।
✪ শিক্ষিত বেকার যুবকেরা কোন প্রকার ইনভেষ্ট ছাড়াই এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।
✪ আমাদের সাথে কাজ করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব প্রশিক্ষন পাবেন ফ্রি।
▓ শর্ত সমূহঃ ▓
✪ অবশ্যই সৎ ও পরিশ্রমী হতে হবে।
▓ কিছু প্রশ্ন উত্তরঃ ▓
১। প্রশ্নঃ আপনাদের ডোমেইন, হোস্টিং বিজনেস করলে কিভাবে লাইফ টাইম ইনকাম করা যাবে?
উত্তরঃ যারা নতুন তারা হয়তো বা জানেন না ডোমেইন, হোস্টিং প্রতিবছর রেনু করতে হয়। একটা উদাহরণ দিলে বুঝতে সহজ হবেঃ ধরুন, .com ডোমেইন আপনার মাধ্যমে কেউ রেজিষ্ট্রেশন করল  সে প্রতিবছর রেনু করেঃ 
১। রেনুয়াল থেকে আপনি পাবেন ৫০ টাকা। যদি বছরে ১০০ ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন করিয়ে থাকেন তবে ১০০x৫০ = ৫০০০/- টাকা।
২। যে ডোমেইন নিবে সাথে সে হোস্টিংও নিবে। ১ জিবি হোস্টিং এর হিসেব দেইঃ ১০০x২৫০ = ২৫,০০০/- টাকা।
৩। এসএসএল ও নিতে হয়।  ১০০x২০০ টাকা = ২০,০০০/- টাকা।
৪। ওয়েবসাইট ও তৈরি করতে হবে। যদি গড়ে প্রতে ওয়েবসাইটে আপনার প্রফিট ৫০০০/- টাকা হয়। তবে ১০০x ৫০০০/- টাকা= ৫০০,০০০/- টাকা ( এককালীন)। 
৫। বিবিধ সেবা। গড়ে ৫০,০০০/- টাকা
তাহলে ১ম বছর আপনার আয় হয় ৬ লক্ষ টাকা। মানে প্রতিমাসে ৫০ হাজার। 
২। প্রশ্নঃ সফটওয়্যার  বিক্রয় করে কিভাবে লাইফ ইনকাম করা যাবে?
উত্তরঃ একটি সফটওয়্যার ক্রয়ের পর গ্রাহককে লাইফটাইম সেই সফটওয়্যারের সার্ভার চার্জ  দিতে হয়। এই সার্ভার চার্জ থেকে আপনারাও প্রতিমাসে একটা কমিশন পাবেন। অর্থাৎ একটি সফটওয়্যার শুধু একবার বিক্রয় করে কমিশন পাবেন প্রতিমাসে- লাইফ টাইম।
৩। প্রশ্নঃ  কিভাবে বিনা ইনভেষ্টে অন্যান্য ব্যবসা থেকে আয় করা যাবে?
উত্তরঃ আমাদের কোন সেবার রিসেলার প্যানেল নিয়ে আপনাকে এডভান্স পেমেন্টের প্রয়োজন নেই। আপনার কাজ হলো আপনার এলাকা থেকে আমাদের  বিভিন্ন সেবা যেমনঃ সফটওয়্যার, ওয়েবসাইট, ডোমেইন, হোস্টিং,  অ্যাপ অর্ডার নেয়া। আপনার অর্ডার অনুসারে সেবা প্রধান করে,  পেমেন্ট সংগ্রহ করার পর আপনার কমিশন আপনাকে প্রদান করা হবে। 

নিয়োগ ও কাজ শুরুর প্রক্রিয়াঃ
  • সর্ব প্রথম  ই-মেইলঃ dmst@lukiye.com, nirapodms@lukiye.com  ই-মেইল  করতে হবে।
  • কাজের প্রস্তুতি হিসাবে আপনাকে নিজ খরচে একটি আইডি কার্ড, লিফলেট ও ভিজিটিং কার্ড তৈরি করে নিতে হবে। কেননা কোন প্রতিষ্ঠান ও ব্যাক্তির সাথে আপনার পণ্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রথমেই এসব  জিনিসের  প্রয়োজন হবে। 
  • লিফলেট, ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড এর ডিজাইনের জন্য (১) আপনার এক কপি ছবি, (২) পূনাঙ্গ নাম, (৩) যে ইমেইল ভিজিটিং কার্ডে ব্যবহার করতে চান, (৪) যে ফোন নাম্বার ভিজিটিং কার্ডে ব্যবহার করতে চান এবং (৫) লোকাল পয়েন্টের ঠিকানা- এসব তথ্য dmst@lukiye.com, nirapodms@lukiye.com  এই ই-মেইলে পাঠিয়ে দিয়ে আমাদের অফিসে ফোন দিয়ে নিশ্চিত করুন।
  • এই উপকরন সমূহ তৈরি করে নিয়ে আপনি ২য় ধাপের কাজ শুরু করতে পারেন।
  • প্রতিদিন আপনাকে বিভিন্ন ধরনের গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ করতে  হবে ও পণ্যে অর্ডার সংগ্রহ করে হেড অফিসে পাঠাতে হবে।
  • প্রতিদিনের কাজ প্রতিবেদন প্রতিদিনে হেড অফিসে পাঠাতে হবে।

আবেদন করতে ই-মেইলঃ dmst@lukiye.com, nirapodms@lukiye.com  ই-মেইল  করুন

আইটি উদ্যোক্তা/ ডিজিটাল উদ্যোক্তা / পার্টনারদের দায়িত্ব ও আয়

বিভাগী পার্টনারদের দায়িত্ব ও শর্তঃ 
  • বিভাগীয় শহরে  একটি অফিস বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে।
  • প্রতিটি জেলা ও থানায় একজন করে জেলা ও থানা পার্টনার নিয়োগ দিয়ে তাদের পরিচালনা করতে হবে।
  • কর্তৃপক্ষ কে কোন জামানত দিতে হবে না। তবে নিজের ব্যয় নিজেকেই বহন করতে হবে। (যেমনঃ ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড, লিফলেট ইত্যাদি  নিজ খরচে তৈরি করে নিতে হব।

জেলা পার্টনারদের দায়িত্ব ও শর্তঃ 
  • নিজ জেলা শহরে  একটি অফিস বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে।
  • নিজ জেলার প্রতিটি থানায় একজন করে থানা পার্টনার নিয়োগ দিয়ে তাদের পরিচালনা করতে হবে। 
  • কর্তৃপক্ষ কে কোন  জামানত দিতে হবে না। তবে নিজের ব্যয় নিজেকেই বহন করতে হবে। (যেমনঃ ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড, লিফলেট ইত্যাদি  নিজ খরচে তৈরি করে নিতে হবে)
  • থানা পার্টনারদের কাছ থেকে প্রতিদিন রিপোর্ট গ্রহণ করে হেড অফিসে প্রেরণ করতে হবে।
থানা পার্টনারদের দায়িত্ব ও শর্তঃ 
  • সফটওয়্যার, ওয়েবসাইটের কাজ নিতে   নিজ থানার প্রতিটি স্কুল কলেজ,  অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ভিজিট করতে হবে। 
  • কর্তৃপক্ষ কে কোন  জামানত দিতে হবে না তবে নিজের ব্যয় নিজেকেই বহন করতে হবে। যেমনঃ ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড, লিফলেট ইত্যাদি।
  • প্রতিদিনে কাজের রিপোর্ট প্রদিনেই হেড অফিসে পাঠাতে হবে।
পার্টনারদের আয়ঃ
বিভিন্ন প্রকল্প, পণ্য ও সর্ভিস থেকে পার্টনারগণ ৫% থেকে ৫৫% পর্যন্ত কমিশন পাবেন। নিচের ডিজিটাল পাঠশালা প্রকল্প থেকে কি রকম আয় হতে পারে তার একটি ধারনা দেওয়া হলো।
প্রতিটি ডিজিটাল পাঠশালা প্রকল্প বাস্তাবায়নের ফলে উক্ত প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত সার্ভিস চার্জ এর ১২% পার্টনারশীপ পাবেন থানা পাটর্নারগণ  এবং জেলা পার্টনারগণ নিজ সদর থানার ১৫% পার্টনারশীপ এবং অন্যান্য থানা সমূহের ৩% পাটর্নারশীপ পাবেন অর্থাৎ একজন জেলা পাটর্নার এর ৫ জন থানা পাটর্নার   থাকলে তার পাটর্নাশীপ হবে ৫x৩=১৫% এবং নিজ থানার কাজ করার জন্য ১৫% । মোট ৩০%।
 আমাদের প্রোডাক্ট তালিকাঃ ▓
(ক) ডোমেইন এর আইটি উদ্যোক্তা / ডিজিটাল উদ্যোক্তা/ পার্টনার প্রাইসঃ
 ডোমেইন নেম = এজেন্ট প্রাইস= কাস্টমার প্রাইস। মেয়াদ ১ বছর।
.com = 49 TK. = 900 TK.
.NET = 49 TK = 950 TK.
.ORG = 49 TK. = 950 TK.
.TV = 49 TK. = 3900 TK.
.ACTOR = 49 TK = 4033 TK.
.ACADEMY = 49 TK = 3360 TK.
.COLLEGE = 49 TK. = 7300 TK.
.INSTITUTE = 49 TK. = 2450 TK.
.UNIVERSITY = 49 TK. = 5500 TK.
(খ) হোস্টিং প্রাইস
হোস্টিং = এজেন্ট প্রাইস = কাস্টমার প্রাইস। ১ বছর মেয়াদ।
১ জিবি এসএসডি হোস্টিং = ৯৫ টাকা = ১১৫০ টাকা।
(গ) ওয়েব সাইট ডিজাইন এন্ড ডেভলপমেন্টস্ঃ
১। ই-কর্মাস ওয়েব সাইট।
২। ডায়নামিক ওয়েব সাইট।
৩। নিউজ পেপার ওয়েব সাইট।
৪। ক্লাসিফাইড ওয়েব সাইট।
৫। স্কুল-কলেজের ওয়েব সাইট।
৬। রিয়েল স্টেট ওয়েব সাইট।
৭। সোশাল মিডিয়া ওয়েব সাইট।
৮। চাকুরীর বিজ্ঞাপনের ওয়েব সাইট সহ আরও অসংখ্য ওয়েব সাইট রয়েছে আমাদের।
✪ এছাড়াও আমরা কাষ্টমারের চাহিদা অনুসারে সবধরনের ওয়েব সাইটের ডিজাইন এন্ড ডেভলপমেন্টস এর কাজ করে থাকি।
(ঘ) সফটওয়্যারঃ
১। স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার। 
২। POS সফটওয়্যার।
৩। ERP সফটওয়্যার।
৪। HRM সফটওয়্যার।
৫। মেডিকেল এন্ড ক্লিনিক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৬। ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৭। প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যার।
৮। রিয়েল স্টেট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৯। বিউটি পার্লার সফটওয়্যার।
১০। হোটেল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১১। অটো রাইস মিল ম্যানজমেন্ট সফটওয়্যার।
১২। কোল্ড স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৩। ইট ভাটা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৪। সুপার শপ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৫। কর্পোরেট বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৬। ট্যুরস এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি সফটওয়্যার।
১৭। এক্সপোর্ট এন্ড ইমপোর্ট বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৮। ক্যাবল নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৯। যে কোন দোকান/শো-রুম ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ইত্যাদি সহ আরও অসংখ্য সফটওয়্যার রয়েছে আমাদের।
✪ এছাড়াও কাষ্টমারদের চাহিদা অনুসারে আমরা যে কোন ধরনের সফটওয়্যার তৈরি করে দিয়ে থাকি।
(ঘ)  ই-কমার্স বিজনেসঃ
 আমরা একটি ই-কর্মাস ওয়েব সাইট চালু করছি । যে ওয়েব সাইটে নিত্য প্রয়োজনীয় সধরনের প্রোডাক্ট থাকবে। এই প্রোডাক্ট সমূহ অনলাইনের মাধ্যমে দেশের যেকোন যায়গা থেকে যে কেউ ক্রয় করতে পারবে এবং সেই ক্রয়কৃত পন্য সমূহ এজেন্ট পয়েন্ট বা এরিয়া পার্টনার পয়েন্ট থেকে ডেলিভারী দেওয়া এবং এজেন্ট/ পার্টনারগন এসব প্রোডাক্ট থেকেও একটা ভালো কমিশন পাবেন।
অফিসঃ সিকদার প্লাজা, লতাপাতা বাজার, কাপাসিয়া, গাজীপুর-১৭৩০                     মোবাইলঃ 01711113852, ই-মেইলঃ amarbusiness24@lukiye.com, nirapodms@lukiye.com  ওয়েবসাইটঃ amarbusiness24.com 

ফান্ডের জন্য দৌড়াদৌড়ি করা আর ক্যাসিনোতে জুয়া খেলা!

ফান্ডের জন্য দৌড়াদৌড়ি করা আর ক্যাসিনোতে জুয়া খেলার সাথে

মিল ও প্রার্থক্য জেনে নিনঃ


====================

ইদানিং একটা ট্রেন্ড তৈরি হয়েছে। নতুন উদ্যোক্তাদের ফান্ডের পেছনে দৌড়াদৌড়ি করতে দেখা যাচ্ছে। “অমুকে অমুকে তমুক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ফান্ড পেয়েছে। তারা এখন এত কোটি টাকার কোম্পানি। তাই আমরাও হয়তো পাবো।”- এরকম ধারনা থেকেই মূলত তাদেরকে দৌড়াদৌড়ি করতে দেখা যাচ্ছে। এটার ভালো কিছু দিক আছে- যেমনঃ ফান্ডের আশায় ফান্ড প্রাপ্তির যোগ্যতা অর্জনের চেষ্টা করা, নতুন নতুন ব্যবসায়িক টার্ম সম্পর্কে আইডিয়া অর্জন করা ইত্যাদি, যেটা সাধারণত নতুন উদ্যোক্তাদের মাঝে দেখা যায়না।

.

তবে, এই দৌড়াদৌড়ি করতে গিয়ে অনেকেই নিজের অজান্তে পিছিয়ে পড়ছে। কিভাবে সেটা হচ্ছে ব্যাখ্যা করা যাক- GP Accelerator মোট ১০০০ আবেদন থেকে ৩৫ টা প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিকভাবে সিলেক্ট করে। সেখান থেকে বিভিন্ন ধাপে যাচাই বাছাই করে ১০ থেকে ১২ জনকে মূল ধাপের জন্য সিলেক্ট করা হয়। তাদেরকে ৪/৫ মাসের বিভিন্ন ট্রেইনিং এন্ড মেন্টরিং এর মাধ্যমে গ্রেজুয়েট করার চেষ্টা করা হয়। হয়তো সবাই গ্র্যাজুয়েট হতে পারে, আবার একজনও না হতে পারে। তবে, এই ৪/৫ মাসে GP Accelerator তাদের পেছনে আলাদাভাবে ৬৫ লাখ টাকা করে খরচ করে। এক কথায় এই ১০/১২ জনের মধ্যে থাকতে পারাটা একটা বিশাল ব্যপার। আর গ্র্যাজুয়েট হয়ে যেতে পারলেতো কোনো কথাই নেই।

.

এবার অন্য দৃষ্টিকোন থেকে আলোচনা করা যাক। ১০০০ জনের মধ্যে যদি ১০ জন টিকে যায় তাহলে শতকরা হিসেবে এটা মাত্র ১%। তারমানে, বাকি ৯৯% প্রথমেই ছিটকে পড়বে। তারমানে যোগ্যতা সম্পন্ন অসংখ্য প্রতিষ্ঠানই প্রাথমিকভাবেই বাদ পড়ে যাবে। কারন, ১০০০ জনের মধ্যে অন্তত ৫০/১০০ জন খুব ভালো মানের প্রতিষ্ঠান হওয়ার কথা। তো, যেখানে ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানের খাওয়া নই, সেখানে কালকে রাতে ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেইখা আজকে থেকেই ফান্ডের জন্য দৌড়াদৌড়ি কতটা যুক্তিসংগত সেটা আমার জানা নেই।

.

তাহলে কি করণীায়?

==============

আমি মনে করি, প্রথমেই ফান্ডের জন্য দৌড়াদৌড়ি করাটা বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারেনা। আবার ফান্ডের উপর নির্ভর করেই ব্যবসা শুরু করার প্লান করাটাকেও ওয়াইজ মনে করি না। মনে রাখতে হবে, এটা একটা প্রতিযোগীতা। মানে আপনার অনেক প্রতিযোগী থাকবে এবং তাদের মধ্য থেকেই আপনাকে উইন করতে হবে। এবং বিচারকরা আপনার বর্তমান অবস্থাকেও মূল্যায়ন করবে। অর্থ্যাৎ, আপনার প্রতিষ্ঠানকি এখনও আইডিয়া লেভেলে আছে? নাকি ইমপ্লিমেন্টেশনের কোনো একটি ধাপে আছে, নাকি অলরেডি মার্কেটে আছে নাকি ইতিমধ্যেই রেভিনিউ অর্জন করা শুরু করেছে।

.

তাই, প্রতিটা মুহূর্তে আপনাকে সামনের দিকে আগাতে হবে। ফান্ড আপনাকে একেবারে প্রথমে কেউই দিবেনা। আমি কিছু স্টেপের কথা বলতে পারি। কোনো বিজনেস আইডিয়া মাথায় আসলে যা যা করতে পারেনঃ-

১. ডোমেইন হোস্টিং কিনে একটা সাইট রেডি করা।

২. প্রতিষ্ঠানের নামে ইমেইল খোলা এবং ইমেইল সিগনেচার যাতে প্রফেশনালি তৈরি করা থাকে সেদিকে খেয়াল রাখা।

৩.ভিজিটিং কার্ড থাকলে ভালো হয়।

৪. ট্রেড লাইসেন্স এবং কারেন্ট একাউন্ট থাকলে ভালো হয়।

৫. ফেইসবুক পেইজ থাকাটা আপনাকে এগিয়ে রাখতে পারে।

৬. কো-ওয়ার্ক  স্পেসে ছোট্ট পরিসরে হলেও একটা অফিস থাকতে পারে।

৭. আইডিয়া লেভেল থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু ধাপ রেডি করা যেখানে প্রথমদিকে ফান্ডের কোনো ব্যপার যেনো না থাকে। অর্থ্যাৎ, ফান্ড পান বা না পান নিজেদের ক্ষুদ্র সামর্থ দিয়ে যাতে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম কিছুদুর হলেও চালিয়ে নেয়া যায় সে ব্যপারটা মাথায় রাখতে হবে। এবং ধাপগুলো অনুসুরন করে ওয়ার্ক প্লান করে সামনে এগিয়ে যাওয়া।

৮. যদি সম্ভব হয়, ব্যবসাটা ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও শুরু করে দেয়া এবং রেভিনিউ জেনারেট করার চেষ্টা করা। যে ১০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ১০০ টাকা কামাইয়ের উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারে, সে নিশ্চয়ই স্টেজে দাড়িয়ে বলতে পারবে যে- আমরা ১ কোটি টাকা পেলে মাসে ১ লাখ টাকা কামাতে পারবো।

৯. একদিকে প্লান /রুটিন ওয়াইজ কাজ চলতে থাকবে, আরেকদিকে ফান্ডের জন্য চেষ্টা করতে থাকুন। তাহলে ফান্ড পান বা না পান অন্তত পিছিয়ে পড়বেন না। তাছাড়া, ধরুন, আপনি অনেক জায়গায় এপ্লাই করেছেন এবং প্রতি মাসে ১টি করে জায়গায় আপনাকে প্রেজেন্টেশান দিতে হচ্ছে, তাহলে প্রতি মাসেই কিন্তু আপনার প্রতিষ্ঠান এগিয়ে যাচ্ছে কিছুটা হলেও। তার মানে নতুন নতুন বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সামনে দাড়িয়ে কথা বলার সাহস ও দক্ষতা যেমন বাড়ছে, তেমনিভাবে আপনার প্রতিষ্ঠানের ফান্ড পাওয়ার যোগ্যতাও কিন্তু দিন দিন বাড়ছে। তাছাড়া, ফান্ড না পেলেও আপনার প্রতিষ্ঠান কিন্তু পিছিয়ে যাচ্ছে না। কারন, আপনার প্রতিষ্ঠান ফান্ড নির্ভর প্রতিষ্ঠান নয়।

.

ক্যাসিনোতে কি হয়? জিতলে বিশালভাবে জিতে, আর হারলে নিঃস্ব হয়ে যায়। সুতরাং, ফান্ডের উপর নির্ভরশীলতা যেনো ক্যাসিনোতে জুয়া খেলার মতো না হয়ে যায়।

এজেন্ট / ডিজিটাল উদ্যোক্তার বিস্তারিত...

এজেন্ট / ডিজিটাল উদ্যোক্তা / পার্টনারের বিস্তারিত পড়ে, বুঝে সহযোগী হবেন আশা রাখি। 

এজেন্ট/ ডিজিটাল উদ্যোক্তা।

‘প্রোডাক্ট ও অর্থ আমাদের, পরিশ্রম আপনার’
কোন প্রকার  জামানত ছাড়াই এজেন্ট/ডিজিটাল উদ্যোক্তা/এরিয়া পার্টনার হন এবং আমাদের একটি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস একবার বিক্রয় করে আয়  করুন প্রতিমাসে-লাইফ টাইম।
একজন এজেন্ট/ ডিজিটাল উদ্যোক্তা/এরিয়া পার্টনার বিনা ইনভেষ্টে যে সব ব্যবসা করার সুযোগ পাচ্ছেনঃ
✪ বিভিন্ন দীর্ঘ মেয়াদী ও লাইফ টাইম প্রকল্প।
✪ ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভলপমেন্টস্ বিজনেস।
✪ সফটওয়্যার বিজনেস।
✪ ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টের বিজনেস।
✪ ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস বিজনেস।
✪ প্রিন্ট এন্ড প্রেস বিজনেস।
✪ ই-কমার্স বিজনেস।
এসব বিজনেস স্বাধীন ভাবে পরিচালনার মাধ্যমে এজেন্ট/ডিজিটাল উদ্যোক্তা/এরিয়া পার্টনারকে লাইফ টাইম ইনকামের সুযোগ দিচ্ছে ‘amarbusiness24’
▓▓ সুবিধা সমূহঃ ▓▓ 
✪ কোন প্রকার জামানতের প্রয়োজন নেই।
✪ আমাদের একটি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস একবার বিক্রয় করিলে কমিশন পাবেন প্রতিমাসে- লাইফ টাইম।
✪ এটি একটি স্বাধীন ব্যবসা, নিজের বর্তমান পেশার পাশাপাশি এই ব্যবসা করে মাসিক ৪০,০০০/- টাকা থেকে ১,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।
✪ আমাদের রয়েছে বিভিন্ন প্রকল্প যা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাবেন লাইফ টাইম ইনকামের সুযোগ।
✪ নিজের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ার মাধ্যমে নিজ এলাকার অন্যান্য বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবেন।
✪ শিক্ষিত বেকার যুবকেরা কোন প্রকার ইনভেষ্ট ছাড়াই এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।
✪ আমাদের সাথে কাজ করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব প্রশিক্ষন পাবেন ফ্রি।
▓ শর্ত সমূহঃ ▓
✪ অবশ্যই সৎ ও পরিশ্রমী হতে হবে।
▓ কিছু প্রশ্ন উত্তরঃ ▓
১। প্রশ্নঃ আপনাদের প্রজেক্ট কি ধরনের এবং আপনাদের প্রজেক্টে কাজ করে কিভাবে লাইফ টাইম ইনকাম করা যাবে?
উত্তরঃ আমরা স্কুল, কলেজ ও ইউনির্ভাসিটি কেন্দ্রিক কিছু আইটি প্রজেক্টের কাজ শুরু করেছি যা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আপনারা লাইফ টাইম ইনকাম করতে পাবেন। এমনি একটি প্রজেক্ট হচ্ছে ডিজিটাল পাঠশালা। কিভাবে ডিজিটাল পাঠশাল প্রজেক্ট থেকে লাইফটাম ইনকাম করবেন তার বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া আছে। 
প্রকল্পের নামঃ “ডিজিটাল পাঠশালা”
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তাবায়নের অংশ হিসাবে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল করার লক্ষ্যে “ডিজিটাল পাঠশালা” প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠিান ফ্রি-তে পাবেঃ
  • ডিজিটাল পাঠশালা সফটওয়্যার (স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার)
  • একটি ডায়নামিক ওয়েব সাইট।
  • একটি ডায়নামিক অ্যাপ।
  • একটি ডিজিটাল টাইম অ্যাটেনডেন্স মেশিন
“ডিজিটাল পাঠশালা” প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যে সকল সুবিধা পাবেনঃ
টাইম অ্যাটেনডেন্স মেশিন এর সুবিধা সমূহঃ
  • ছাত্র/ছাত্রী স্কুলে প্রবেশ এর সময় আইডি কার্ড এর মাধ্যমে মেশিনে অ্যাটেনডেন্স দিয়ে প্রবেশ করবে এবং সাথে সাথে তাদের অভিভাবকের মোবাইলে অ্যাটেনডেন্স রিপোর্ট চলে যাবে।
  • আবার ছাত্র/ছাত্রী স্কুলে থেকে বের হওয়ার সময় আইডি কার্ড এর মাধ্যমে মেশিনে অ্যাটেনডেন্স দিয়ে বের হবে এবং সাথে সাথে তাদের অভিভাবকের মোবাইলে এক্সিট রিপোর্ট চলে যাবে।
  •  শিক্ষক / কর্মচারীগণও এই মেসিনের মাধ্যমে অ্যাটেনডেন্স দিতে পারবেন ।
  •  কম্পিউটারে ডিজিটাল পাঠশালা সফটওয়্যারেও এই তথ্য সংরক্ষিত থাকবে এবং সার্চ দিয়ে খুব সহজে দৈনিক/সাপ্তহিক/মাসিক উপস্থিতি বের করা যাবে।
  •  ইন্টারনেট বা বিদ্যুৎ না থাকলেও এই মেশিন তার নিজের ব্যাটারী ব্যাকআপ এর মাধ্যমে চালু থাকবে।
  • এই মেশিন এর মাধ্যমে অভিভাবকগন তাদের সন্তান কখন স্কুলে যাচ্ছে এবং কখন আসতেছে তা বাসায় বসে জানতে পারবেন।
ডিজিটাল পাঠশালা সফটওয়্যার এর সুবিধা সমূহঃ
  • ছবি সহ সকল ছাত্র/ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মচারী, ম্যানেজিং কমিটির প্রোফাইল তৈরি করা যাবে।
  • শিক্ষক ও অভিভাবকদের মোবাইলে এসএমএস প্রেরণ করা যাবে।
  • প্রতিষ্ঠানে সকল ধরনের আয় ও ব্যয় এর হিসাব সম্পাদন ও সংরক্ষন করা যাবে।
  • অনলাইনে ছাত্র/ছাত্রীদের টিউশন ফি গ্রহণ সহ সবধরনের ফি গ্রহণ ও হিসাব সংরক্ষন করা যাবে।
  • শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন প্রদান ও হিসাব সংরক্ষন করা যাবে।
  • অটোমেটিক মার্কসিট, ট্রান্সফার সার্টিফিকেট, প্রশংসাপত্র সহ যেকোন ধরনের ছাড়পত্র বের করা যাবে।
  • প্রতিষ্ঠানের সবধরনের তথ্য সংরক্ষন করা যাবে।
  • অনলাইন ভর্তি ও এডমিট কার্ড ডাউনলোড করা যাবে।
  • অনলাইনে মডেল টেষ্ট পরিক্ষা দেওয়ার যাবে।
  •  অনলাইন রেজাল্ট সিস্টেম আছে।
  •  অ্যাটেনডেন্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম আছে।
  •  অনলাইনে ছুটির আবেদন ও ছুটি পাশ/বাতিল করার সিস্টেম আছে।
  • লাইব্রেরী ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম আছে।
  • হোস্টেল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম আছে।
  • ট্রান্সপোর্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম আছে।
  • একাউন্টস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম আছে।
  • ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম আছে।
  • রুটিন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম আছে।
  • সিলেবাস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম আছে।
  • সেকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম আছে।
  • টিচার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
  • স্টুডেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
এছাড়াও আরো অসংখ্য সুবিধা পাওয়া যাবে ডিজিটাল পাঠশালা সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে।
**ডিজিটাল পাঠশালা সফটওয়্যার টি হাইলি সিকিউরড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
ওয়েবসাইট এর সুবিধা সমূহঃ
  •  শিক্ষা প্রতিষ্ঠিানের ইতিহাস ও যাবতীয় তথ্য প্রদর্শিত হবে।
  • টিচার, ম্যানেজিং কমিটি ও ছাত্র/ছাত্রী দের তালিকা প্রদর্শিত হবে।
  • ছাত্রী/ছাত্রীরা ওয়েবসাইট থেকে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন এবং এডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।
  • ওয়েবসাইটে থেকে রেজাল্ট, রুটিন, সিলেবাস, অ্যাটেনডেন্সট রিপোট ও ইভেন্ট ইনফরমেশন ইত্যাদি দেখতে পারবেন।
  • ওয়েবসাইটে মডেল টেষ্ট পরীক্ষা দেওয়া ও ছুটির আবেদন করা যাবে।
  • প্রতিষ্ঠানের সবধরনের ছবি প্রদর্শিত হবে।
  • ছাত্র/ছাত্রীদের বেতন, বকেয়া তথ্য দেখা যাবে এবং অনলাইনের মাধ্যমে বেতনসহ যে কোন ফি পরিশোধ করতে পারবে।
  • ইহা ছাড়াও আরও অসংখ্য সুবিধা পাওয়া যাবে এই ডায়নামিক ওয়েব সাইটের মাধ্যমে।
অ্যাপ এর সুবিধা সমূহঃ
  • ওয়েবসাইটের যাবতীয় সুবিধা যে কেউ মোবাইল অ্যাপ থেকে গ্রহণ করতে পারবে।
শর্ত সমূহঃ
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে ১০ বছরের চুক্তি হবে এবং এই ১০ বছর আমরা সার্ভিস দিয়ে যাবো।
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে ডোমেইন থাকতে হবে, না থাকলে নিতে হবে।
  • ছাত্র/ছাত্রীদের নামে একটি করে ডিজিটাল আইডিকার্ড তৈরি করে নিতে হবে যা টাইম অ্যাটেনডেন্স মেশিনে সাপোর্ট করবে।
  • সার্ভিস চার্জ শিক্ষার্থীরা মাসিক টিউশন ফি’র সাথে প্রদান করিবে।
  • এসএমএস সেবা ঐচ্ছিক। এসএমএস সেবা গ্রহণ করিলের ছাত্র/ছাত্রীদের এসএমএস চার্জ প্রদান করিতে হবে।
  • উল্লেখিত সার্ভিস ব্যতিত আমাদের অন্যকোন সার্ভিস গ্রহণ করিলে তার বাজার মূল্য পরিশোধ করতে হবে।

এই প্রকল্পের মত আরও অনেক প্রকল্প রয়েছে আমাদের যা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ২০২১ সালে সম্পূর্ণ ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসাবে আমরা পৃথিবীর বুকে পরিচয় করিয়ে দিতে পারবো।
এই প্রকল্প ছাড়াও আরও কয়েকটি প্রকল্প আছে পর্যায় ক্রমে যার দায়িত্ব এজেন্ট / ডিজিটাল উদ্যোক্তা/ পাটর্নারদের দেওয়া হবে।
আমরা প্রতিটি জেলায় একজন করে এজেন্ট /এরিয়া পার্টনার নিয়োগ দিচ্ছি, আপনি যদি এজেন্ট/এরিয়া পার্টনার হিসাবে কাজ করতে চান তাহলে দ্রুত আবেদন করুন।
আবেদন করতে ই-মেইলঃ dmst@lukiye.com, nirapodms@lukiye.com  ই-মেইল  করুন
২। প্রশ্নঃ সফটওয়্যার  বিক্রয় করে কিভাবে লাইফ ইনকাম করা যাবে?
উত্তরঃ একটি সফটওয়্যার ক্রয়ের পর গ্রাহককে লাইফটাইম সেই সফটওয়্যারের সার্ভার চার্জ  দিতে হয়। এই সার্ভার চার্জ থেকে আপনারাও প্রতিমাসে একটা কমিশন পাবেন। অর্থাৎ একটি সফটওয়্যার শুধু একবার বিক্রয় করে কমিশন পাবেন প্রতিমাসে- লাইফ টাইম।
৩। প্রশ্নঃ  কিভাবে বিনা ইনভেষ্টে অন্যান্য ব্যবসা থেকে আয় করা যাবে?
উত্তরঃ আমাদের কোন পণ্য আপনাকে ক্রয় করে স্টক করতে হবে না । আপনার কাজ হলো আপনার এলাকা থেকে আমাদের  বিভিন্ন পণ্য যেমনঃ সফটওয়্যার, ওয়েব সাইট, ডোমেইন, হোস্টিং,  অ্যাপস্, পিভিসি প্রিন্ট, প্যানা প্রিন্ট, ডিজিটাল প্রিন্ট, ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড, বই প্রিন্ট ইত্যাদি কাজের অর্ডার গ্রহণ করে সেই অর্ডার আমাদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া। আপনার অর্ডার অনুসারে পণ্য ডেলিভারি দিয়ে পেমেন্ট সংগ্রহ করার পর আপনার কমিশন আপনাকে প্রদান করা হবে। 
৪।  প্রশ্নঃ  কত টাকা আয় হবে।
আমাদের অসংখ্য পণ্য ও সেবা রয়েছে যা বিক্রয় করে আপনি আনলিমিটেড ইনকাম করতে পারবেন। নিচে শুধু মাত্র আইডি কার্ড প্রিন্ট ব্যবসা থেকে কি রকম আয় হতে পারে তার একটি  হিসাব দেওয়া হলোঃ
  • মনে করুন, আপনার জেলায় ২০০০ স্কুল-কলেজ রয়েছে।
  • প্রতিটি স্কুলে গড় ২০০ জন হিসাবে ছাত্র/ছাত্রী রয়েছে ৪,০০,০০০ জন।
  • এই ২০০০ স্কুলের মধ্যে ৫০% স্কুলের অর্থাৎ ২,০০,০০০ ছাত্র/ছাত্রীর আইডি কার্ডে অর্ডার আপনি পেলেন।
  • প্রতি আইডি কার্ড থেকে যদি আপনি ১০ টাকা হারে লাভ করেন তাহলে আপনার মোট আয় হবে ২০,০০,০০০/- টাকা।
  • প্রতি বছর এই আয় হতেই থাকবে এবং পরর্বতী বছরগুলোতে এই আয় বাড়তেই থাকবে।
এখানে শুধু মাত্র একটি ছোট পণ্যের সম্ভব্য আয় আপনাকে দেখানো হলো। এরকম অসংখ্য আয়ের পথ রয়েছে amarbusiness24  এ।
নিয়োগ ও কাজ শুরুর প্রক্রিয়াঃ
  • সর্ব প্রথম  ই-মেইলঃ dmst@lukiye.com, nirapodms@lukiye.com  ই-মেইল  করতে হবে।
  • কাজের প্রস্তুতি হিসাবে আপনাকে নিজ খরচে একটি আইডি কার্ড, লিফলেট ও ভিজিটিং কার্ড তৈরি করে নিতে হবে। কেননা কোন প্রতিষ্ঠান ও ব্যাক্তির সাথে আপনার পণ্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রথমেই এসব  জিনিসের  প্রয়োজন হবে। 
  • লিফলেট, ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড এর ডিজাইনের জন্য (১) আপনার এক কপি ছবি, (২) পূনাঙ্গ নাম, (৩) যে ইমেইল ভিজিটিং কার্ডে ব্যবহার করতে চান, (৪) যে ফোন নাম্বার ভিজিটিং কার্ডে ব্যবহার করতে চান এবং (৫) লোকাল পয়েন্টের ঠিকানা- এসব তথ্য dmst@lukiye.com, nirapodms@lukiye.com  এই ই-মেইলে পাঠিয়ে দিয়ে আমাদের অফিসে ফোন দিয়ে নিশ্চিত করুন।
  • এই উপকরন সমূহ তৈরি করে নিয়ে আপনি ২য় ধাপের কাজ শুরু করতে পারেন।
  • প্রতিদিন আপনাকে বিভিন্ন ধরনের গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ করতে  হবে ও পণ্যে অর্ডার সংগ্রহ করে হেড অফিসে পাঠাতে হবে।
  • প্রতিদিনের কাজ প্রতিবেদন প্রতিদিনে হেড অফিসে পাঠাতে হবে।

আবেদন করতে ই-মেইলঃ dmst@lukiye.com, nirapodms@lukiye.com  ই-মেইল  করুন

পার্টনারদের দায়িত্ব ও আয়

বিভাগী পার্টনারদের দায়িত্ব ও শর্তঃ 
  • বিভাগীয় শহরে  একটি অফিস বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে।
  • প্রতিটি জেলা ও থানায় একজন করে জেলা ও থানা পার্টনার নিয়োগ দিয়ে তাদের পরিচালনা করতে হবে।
  • শুধু মাত্র ট্যুরস এন্ড ট্রাভেল বিজনেস এর জন্য প্রতিটি জেলায় একজন করে ট্রাভেল এজেন্ট/ডিলার নিয়োগ দিতে হবে।
  • কর্তৃপক্ষ কে কোন জামানত দিতে হবে না। তবে নিজের ব্যয় নিজেকেই বহন করতে হবে। (যেমনঃ ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড, লিফলেট ইত্যাদি  নিজ খরচে তৈরি করে নিতে হব।

জেলা পার্টনারদের দায়িত্ব ও শর্তঃ 
  • নিজ জেলা শহরে  একটি অফিস বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে।
  • নিজ জেলার প্রতিটি থানায় একজন করে থানা পার্টনার নিয়োগ দিয়ে তাদের পরিচালনা করতে হবে।
  • ডিজিটাল পাঠশালা প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নিজ থানার প্রতিটি স্কুল কলেজ ভিজিট করতে হবে ।
  • শুধু মাত্র ট্যুরস এন্ড ট্রাভেল বিজনেস এর জন্য প্রতিটি থানায় একজন করে ট্রাভেল এজেন্ট/ডিলার নিয়োগ দিতে হবে।
  • কর্তৃপক্ষ কে কোন  জামানত দিতে হবে না। তবে নিজের ব্যয় নিজেকেই বহন করতে হবে। (যেমনঃ ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড, লিফলেট ইত্যাদি  নিজ খরচে তৈরি করে নিতে হবে)
  • থানা পার্টনারদের কাছ থেকে প্রতিদিন রিপোর্ট গ্রহণ করে হেড অফিসে প্রেরণ করতে হবে।
থানা পার্টনারদের দায়িত্ব ও শর্তঃ 
  • ডিজিটাল পাঠশালা প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নিজ থানার প্রতিটি স্কুল কলেজ ভিজিট করতে হবে ।
  • শুধু মাত্র ট্যুরস এন্ড ট্রাভেল বিজনেস এর জন্য  থানায় ও প্রতিটি ইউনিয়নে  একজন করে ট্রাভেল এজেন্ট/ডিলার নিয়োগ দিতে হবে।
  • কর্তৃপক্ষ কে কোন  জামানত দিতে হবে না তবে নিজের ব্যয় নিজেকেই বহন করতে হবে। যেমনঃ ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড, লিফলেট ইত্যাদি।
  • প্রতিদিনে কাজের রিপোর্ট প্রদিনেই হেড অফিসে পাঠাতে হবে।
পার্টনারদের আয়ঃ
বিভিন্ন প্রকল্প, পণ্য ও সর্ভিস থেকে পার্টনারগণ ৫% থেকে ৫৫% পর্যন্ত কমিশন পাবেন। নিচের ডিজিটাল পাঠশালা প্রকল্প থেকে কি রকম আয় হতে পারে তার একটি ধারনা দেওয়া হলো।
প্রতিটি ডিজিটাল পাঠশালা প্রকল্প বাস্তাবায়নের ফলে উক্ত প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত সার্ভিস চার্জ এর ১২% পার্টনারশীপ পাবেন থানা পাটর্নারগণ  এবং জেলা পার্টনারগণ নিজ সদর থানার ১৫% পার্টনারশীপ এবং অন্যান্য থানা সমূহের ৩% পাটর্নারশীপ পাবেন অর্থাৎ একজন জেলা পাটর্নার এর ৫ জন থানা পাটর্নার   থাকলে তার পাটর্নাশীপ হবে ৫x৩=১৫% এবং নিজ থানার কাজ করার জন্য ১৫% । মোট ৩০%।
একজন পাটর্নারের  সম্ভব্য আয় ও ভবিষ্যৎঃ
আয় ১ঃ
  • মনে করি, একজন পাটর্নার  প্রথম মাসে ৩ টি ডিজিটাল পাঠশালা প্রকল্প বাস্তবায়ন করলো এবং তা থেকে তার পার্টনারশীপ কমিশন আসলো ১০,০০০/- টাকা (এই টাকা ছাত্র/ছাত্রী সংখ্যার উপর নির্ভর করে আরও অনেক বেশি বা কমও হতে পারে)
  • ২য় মাসে আরও ৩টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করলো, তাহলে প্রথম মাসের ৩টি ও ২য় মাসে ৩টি সহ মোট ৬টি প্রকল্পের কমিশন পাবে ২০,০০০/-
  • এভাবে ৩য় মাসে প্রকল্প হবে মোট ৯টি যা থেকে কমিশন পাবে ৩০,০০০/-
  • এভাবে প্রতি মাসে নতুন নতুন প্রকল্প যোগ হবে এবং তার কমিশন বাড়তে থাকবে। এক সময় দেখা যাবে যে, প্রতিমাসে একজন পাটর্নার কয়েক লাখ টাকা পার্টনারশীপ কমিশন পাচ্ছেন ।
  • এই আয় হবে নিশ্চিত ১০ বছর। একটি প্রকল্প থেকে একজন পাটর্নার ১০ বছরে সর্বমোট আয় হবে ১,০০,০০০ থেকে ৫,০০,০০০/- টাকা। প্রকল্প যত বেশি হবে আয়ও তত বেশি হবে।
  • ১০ বছর পর আবার প্রকল্প নবায়ন হলে আবার আরও ১০ বছর আয় করার সুযোগ পাবে।
আয় ২ঃ
পার্টনারগণ  প্রকল্প বাস্তাবায়নের পাশাপাশি নিজ জেলা/থানার সকল স্কুল থেকে ছাত্র/ছাত্রীদের আইডি কার্ড প্রিন্টের অর্ডার গ্রহণ করিবে। কেননা সরকারি, বেরসরকারি, কেজি স্কুল, ইউনিভার্সিটি সহ প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আইডি কার্ড অপরিহার্য। শুধু মাত্র আইডি কার্ড এর অর্ডার গ্রহণের মাধ্যমে আপনার প্রতিবছর যে আয় হবে তা নিন্মরুপঃ
  • মনে করি, আপনার জেলায় ২০০০টি স্কুল-কলেজ রয়েছে।
  • প্রতিটি স্কুলে গড় ২০০ জন হিসাবে ছাত্র/ছাত্রী রয়েছে ৪,০০,০০০ জন।
  • এই ২০০০ স্কুলের মধ্যে ৫০% স্কুলের অর্থাৎ ২,০০,০০০ ছাত্র/ছাত্রীর আইডি কার্ডে অর্ডার আপনি পেলেন।
  • প্রতি আইডি কার্ড থেকে যদি আপনি ১০ টাকা হারে লাভ করেন তাহলে আপনার মোট আয় হবে ২০,০০,০০০/- টাকা।
  • প্রতি বছর এই আয় হতেই থাকবে এবং পরর্বতী বছরগুলোতে এই আয় বাড়তেই থাকবে।

ডিজিটাল পাঠশালা প্রকল্প বাদে আমাদের অন্যান্য সফটওয়্যার, পণ্যে ও  সার্ভিস থেকে ৫% – ৭৫% পর্যন্ত কমিশন পাবেন পাটর্নারগণ। আমাদের অন্যান্য সফটওয়্যার, সার্ভিস ও পণ্য সমূহ দেখতে আমাদের ওয়েব সাইটে ভিজিট করুন। amarbusiness24.com




 আমাদের প্রোডাক্ট তালিকাঃ ▓
(ক) ডোমেইন এন্ড হোষ্টিং
১। .com
২। .org
৩। .bd
৪। .edu.bd
৫। .net
৬। .tv
৭। .live সহ সবধনের ডোমেইন এন্ড আমেরিকান হাই স্পিড হোস্টিং আমরা রিসেল দিয়ে থাকি।
(খ) ওয়েব সাইট ডিজাইন এন্ড ডেভলপমেন্টস্ঃ
১। ই-কর্মাস ওয়েব সাইট।
২। ডায়নামিক ওয়েব সাইট।
৩। নিউজ পেপার ওয়েব সাইট।
৪। ক্লাসিফাইড ওয়েব সাইট।
৫। স্কুল-কলেজের ওয়েব সাইট।
৬। রিয়েল স্টেট ওয়েব সাইট।
৭। সোশাল মিডিয়া ওয়েব সাইট।
৮। চাকুরীর বিজ্ঞাপনের ওয়েব সাইট সহ আরও অসংখ্য ওয়েব সাইট রয়েছে আমাদের।
✪ এছাড়াও আমরা কাষ্টমারের চাহিদা অনুসারে সবধরনের ওয়েব সাইটের ডিজাইন এন্ড ডেভলপমেন্টস এর কাজ করে থাকি।
(গ) সফটওয়্যারঃ
১। স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার। 
২। POS সফটওয়্যার।
৩। ERP সফটওয়্যার।
৪। HRM সফটওয়্যার।
৫। মেডিকেল এন্ড ক্লিনিক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৬। ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৭। প্রেসক্রিপশন সফটওয়্যার।
৮। রিয়েল স্টেট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৯। বিউটি পার্লার সফটওয়্যার।
১০। হোটেল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১১। অটো রাইস মিল ম্যানজমেন্ট সফটওয়্যার।
১২। কোল্ড স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৩। ইট ভাটা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৪। সুপার শপ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৫। কর্পোরেট বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৬। ট্যুরস এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি সফটওয়্যার।
১৭। এক্সপোর্ট এন্ড ইমপোর্ট বিজনেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৮। ক্যাবল নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১৯। যে কোন দোকান/শো-রুম ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ইত্যাদি সহ আরও অসংখ্য সফটওয়্যার রয়েছে আমাদের।
✪ এছাড়াও কাষ্টমারদের চাহিদা অনুসারে আমরা যে কোন ধরনের সফটওয়্যার তৈরি করে দিয়ে থাকি।
(ঘ) প্রিন্ট এন্ড প্রেসের কাজঃ
১। সাইনবোর্ড প্রিন্ট।
২। লিফলেট প্রিন্ট।
৩। ব্যানার প্রিন্ট।
৪। পিভিসি প্রিন্ট।
৫। প্যানা প্রিন্ট।
৬। হ্যান্ড বিল প্রিন্ট ।
৭। রশিদ বই প্রিন্ট।
৮। প্রশ্নপত্র প্রিন্ট।
৯। প্যাড প্রিন্ট।
১০। মগ প্রিন্ট।
১২। কলম প্রিন্ট।
১৩। গিফ্ট প্রিন্ট।
১৪। স্টিকার প্রিন্ট।
১৫। টি-শার্ট প্রিন্ট।
১৬। ভিজিটিং কার্ড ।
১৭। ইনভাইটেশন কার্ড।
১৮। প্লাস্টিক আইডি কার্ড।
১৯। ডিজিটাল আইডি কার্ড সহ সবধরনের প্রিন্ট এন্ড প্রেস ও গ্রাফিক্স ডিজানের কাজ করা হয়।
(ঙ) ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টঃ
আমাদের রয়েছে বিশ্ব বিখ্যাত সব ব্রান্ডের-
১। ল্যাপটপ।
২। কম্পিউটার এন্ড কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
৩। প্রিন্টার এন্ড প্রিন্টার হার্ডওয়্যার।
৪। এলইডি টিভি।
৪। সিসি টিভি ক্যামেরা সহ আরও অসংখ্য প্রোডাক্ট।
৫। বিভিন্ন কোম্পানির ফ্রিজ, টিভি, এলইডি।
(চ)  ই-কমার্স বিজনেসঃ
খুব শীঘ্রই আমরা একটি ই-কর্মাস ওয়েব সাইট চালু করতে যাচ্ছি । যে ওয়েব সাইটে নিত্য প্রয়োজনীয় সধরনের প্রোডাক্ট থাকবে। এই প্রোডাক্ট সমূহ অনলাইনের মাধ্যমে দেশের যেকোন যায়গা থেকে যে কেউ ক্রয় করতে পারবে এবং সেই ক্রয়কৃত পন্য সমূহ এজেন্ট পয়েন্ট বা এরিয়া পার্টনার পয়েন্ট থেকে ডেলিভারী দেওয়া এবং এজেন্ট/ পার্টনারগন এসব প্রোডাক্ট থেকেও একটা ভালো কমিশন পাবেন।
(ছ) দীর্ঘ মেয়াদী ও লাইফ টাইম প্রকল্পঃ
আমদের রয়েছে বিভিন্ন র্দীঘ মেয়াদী ও লাইফ টাইম প্রকল্প। যা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পার্টনারগণ লাইফ টাইম ইনকামের সুযোগ পাবেন। আমাদের বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যে একটি আর্কষনীয় প্রকল্প হচ্ছে ডিজিটাল পাঠশালা


 ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস এজেন্সির বিজনেস 
amarbusiness24  এর ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস বিজনেস পরিচালনার জন্য পার্নারগণ প্রতিটি জেলা, থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে    একজন করে এজেন্ট নিয়োগ দেবেন। 
✪ এজেন্টরা যে সকল সেবা গ্রাহকদের দিতে পারবে।
  • ওয়ার্ল্ড ওয়াইড বিমানের টিকিট।
  • বাসের টিকেট (বাংলাদেশের সকল প্রথম শ্রেণীর বাসের টিকেট। যেমন হানিফ, নাবিল, এসআর, শ্যামলী ইত্যাদি)
  • ট্রেনের টিকেট (বাংলাদেশ ও ভারত)
  • কার ভাড়া
  • বাইক ভাড়া (শুধু বাংলাদেশে)
  •  ভিসা প্রসেসিং।
  •  ট্যুরিস্ট ভিসা।
  • মেডিকেল ভিসা।
  • ওমরাহ্ হজ্জ ভিসা।
  • ইন্ডিয়ান ভিসা ও টিকেট।
  • দেশের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রের ট্যুরস প্যাকেজ।
  • আন্তর্জাতিক ট্যুরস প্যাকেজ।
  • কর্পোরেট ট্যুরস প্যাকেজ।
  • স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় এর পিকনিক প্যাকেজ।
  • অফিসিয়াল পিকনিক প্যাকেজ।
  • বিজনেস ট্যুরস প্যাকেজ।
  • ফ্যামিলি ট্যুরস প্যাকেজ।
  • হানিমুন ট্যুরস প্যাকেজ।
  • স্টাডি ট্যুরস প্যাকেজ।
  • হোটেল বুকিং।
  • পরিবহন।
  • গাইড সার্ভিস।
  • স্পট বুকিং সহ আরো অসংখ্য সেবা।
মূলত ট্রাভেল এজেন্টরা ট্যুরস এন্ড ট্রাভেল বিজনেস পরিচালনা করবেন এবং পার্টনারগণ শুধু মাকেটিং সহযোগীতা প্রদান করবেন।

আবেদন করতে ই-মেইলঃ dmst@lukiye.com, nirapodms@lukiye.com  করুন।